🎓 Quick Menu
বিসিএস প্রিলি প্রস্তুতি পরীক্ষা (BCS) Bangla

BCS, Primary, NTRCA, Admission Preparation Guide

প্রতিদিন নিয়মিত MCQ অনুশীলন করুন। প্রতিটি প্রশ্নের সঠিক উত্তর এবং ব্যাখ্যা বোঝার চেষ্টা করুন। দুর্বল অংশ চিহ্নিত করুন এবং পুনরাবৃত্তি করুন। সময় ব্যবস্থাপনা করুন এবং Mock Test দিন। BDMCQ Guide ব্যবহার করে অনুশীলন করলে সফল হওয়ার সম্ভাবনা অনেক বেড়ে যায়।

1. “ডেকে ডেকে হয়রান হচ্ছি।” – এ বাক্যে ডেকে ডেকে কোন অর্থ প্রকাশ করে?

1: অসহায়ত্ব
2: বিরক্তি
3: কালের বিস্তার
4: পৌনঃপুনিকতা

Correct Answer: পৌনঃপুনিকতা

ডেকে ডেকে হয়রান হচ্ছি- বাক্যে বারবার ডাকা অর্থাৎ পৌনঃপুনিকতার ইঙ্গিত দেওয়া হয়েছে।

2. ভুল বানান কোনটি?

1: ভূবন
2: অন্তঃসার
3: মুহূর্ত
4: অদ্ভুত

Correct Answer: ভূবন

শুদ্ধ বানান ভুবন। বাকীগুলো শুদ্ধ

3. “যিনি বিদ্বান, তিনি সর্বত্র আদরণীয়। -এটি কোন ধরনের বাক্য?

1: সরল বাক্য
2: জটিল বাক্য
3: যৌগিক বাক্য
4: খন্ড বাক্য

Correct Answer: জটিল বাক্য

যে বাক্যে একটি প্রধান খণ্ডবাক্যের এক বা একাধিক আশ্রিত বাক্য পরস্পর সাপেক্ষভাবে ব্যবহৃত হয়, তাকে জটিল বা মিশ্র বাক্য বলে। ‘যিনি বিদ্বান, তিনি সর্বত্র আদরণীয় ।’ এটি জটিল বাক্য।

4. “চিকিৎসাশাস্ত্র” কোন সমাস?

1: কর্মধারয়
2: বহুব্রীহি
3: অব্যয়ীভাব
4: তৎপুরুষ

Correct Answer: কর্মধারয়

বিশেষ্য ও বিশেষণ পদ মিলে যে সমাস হয় এবং বিশেষ্য বা পরপদের অর্থই প্রধানরূপে প্রতীয়মান হয়, তাকেই কর্মধারয় সমাস বলে। কর্মধারয় সমাসে পরপদের অর্থই প্রধান। যেমনঃ চিকিৎসা বিষয়ক শাস্ত্র = চিকিৎসাশাস্ত্র।

5. কোনটি নামধাতুর উদাহরণ?

1: চল্
2: কর
3: বেতা
4: পੜ

Correct Answer: বেতা

বিশেষ্য, বিশেষণ এবং অনুকার অব্যয়ের পরে ‘আ’ প্রত্যয় যোগ করে যে নতুন ধাতুটি গঠিত হয়, তাই নাম ধাতু যেমন: বেতা

6. “তাতে সমাজজীবন চলে না।”- এ বাক্যটির অস্তিবাচক রূপ কোনটি?

1: তাতে সমাজজীবন চলে
2: তাতে না সমাজজীবন চলে
3: তাতে সমাজজীবন অচল হয়ে পড়ে।
4: তাতে সমাজজীবন সচল হয়ে পড়ে।

Correct Answer: তাতে সমাজজীবন অচল হয়ে পড়ে।

নেতিবাচক বাক্যকে অস্তিবাচক বাক্যে রূপান্তর করতে হলে বাক্যের মূল অর্থ অপরিবর্তিত রেখে না, নি, নেই , ইত্যাদি অব্যয় উঠিয়ে দিতে হয়। শব্দের পরিবর্তন ঘটিয়ে বাকো হাঁ-সূচক ভাব ফুটিয়ে তুলতে হয়। প্রদত্ত বাক্যঃ তাতে সমাজজীবন চলে না (নেতিবাচক)। তাতে সমাজজীবন অচল হয়ে পড়ে (অস্তিবাচক)।

7. “গড্ডালিকা প্রবাহ” বাগধারায় “গড্ডল” শব্দের অর্থ কি?

1: স্রোত
2: ভেড়া
3: একত্র
4: ভাসা

Correct Answer: ভেড়া

বাগধারাটির অর্থ অন্ধ অনুকরন। ‘গড্ডল’ শব্দের অর্থ ভেড়া। সাধারণত ভেড়া অনুকরণপ্রিয় প্রাণী। এদের একজন যেদিকে যায়, অন্যগুলোও বাছবিচার না করে সেদিকেই যায়। এজন্য গড্ডালিকা প্রবাহ দিয়ে অন্ধ অনুকরণ বোঝানো হয়।

8. বাকযন্ত্র অংশ নয় কোনটি?

1: স্বরযন্ত্র
2: ফুসফুস
3: দাঁত
4: কান

Correct Answer: কান

গলনালি, মুখবিবর, জিহ্বা, আলজিভ, তালু, দন্ত, নাসিকা ইত্যাদি বাগযন্ত্রের অংশ। কান বাগযন্ত্রের অংশ নয়।

9. রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর কোন কারক বাদ দিতে চেয়েছিলেন?

1: করণ কারক
2: সম্প্রদান কারক
3: অপাদান কারক
4: অধিকরণ কারক

Correct Answer: সম্প্রদান কারক

বাঙালা ব্যাকরণ’ প্রবন্ধে রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর রাজা রামমোহন রায়, হরপ্রসাদ শাস্ত্রী, রামেন্দ্র সুন্দর ত্রিবেদী প্রমুখ পণ্ডিতবর্গ সম্প্রদান কারককে বাদ নিতে চেয়েছেন। কারণ, কর্মকারক দ্বারাই সম্প্রদান কারকের কাজ সম্পাদন করা যায়।

10. ‘আনোয়ারা’ উপন্যাসের রচয়িতার নাম-

1: সৈয়দ মুজতবা আলী
2: কাজী আবদুল ওদুদ
3: নজিবর রহমান
4: রোকেয়া সাখাওয়াৎ হোসেন

Correct Answer: নজিবর রহমান

‘আনোয়ারা’ মোহাম্মদ নজিবর রহমান রচিত একটি কালজয়ী সামাজিক উপন্যাস। এটি তার রচিত প্রথম ও সর্বাধিক সার্থক উপন্যাস। এটি ১৯১৪ সালের ১৫ জুলাই (১৩২১ বঙ্গাব্দে) কলকাতা থেকে সর্বপ্রথম প্রকাশিত হয়। এ উপন্যাসের প্রতিপাদ্য ধর্ম ও সত্যের জয়, অধর্মের পরাজয় ও আনোয়ারার স্বামীনিষ্ঠা। উপন্যাসের চরিত্র: আনোয়ারা, নুরুল এসলাম, খাদেম, আজিমুল্লাহ, গোলাপজান ইত্যাদি। লেখকের অন্যান্য রচনা: চাঁদতারা বা হাসান গঙ্গা বাহমনি (১৯১৭), পরিণাম (১৯১৮), গরীবের মেয়ে (১৯২৩), দুনিয়া আর চাই না (১৯২৪) ইত্যাদি।

11. ধ্বনি-পরিবর্তনের নিয়মে কোনটি বর্ণ-বিপর্যয়-এর দৃষ্টান্ত?

1: রতন
2: কবাট
3: পিচাশ
4: মুলুক

Correct Answer: পিচাশ

ধ্বনি বিপর্যয়: শব্দের মধ্যে দুটি ব্যঞ্জনের পরস্পর পরিবর্তন ঘটলে তাকে ধ্বনি বিপর্যয় বলে। এতে দুটি বর্ণের মধ্যে জায়গা পরিবর্তন হয়। যেমন – পিশাচ > পিচাশ, লাফ> ফাল, বাক্‌স > বাস্‌ক, রিকসা্‌ > রিস্‌কা ইত্যাদি। অন্যদিকে, রত্ন > রতন এবং মুল্‌ক > মুলুক — মধ্য স্বরাগম বা বিপ্রকর্ষ বা স্বরভক্তির উদাহরণ। কবাট > কপাট — ব্যঞ্জন বিকৃতির উদাহরণ।

12. নিচের কোনটি ‘অগ্নি’র সমার্থক শব্দ নয়?

1: বহ্নি
2: আবীর
3: বায়ুসখা
4: বৈশ্বানর

Correct Answer: আবীর

অগ্নি শব্দের সমার্থক শব্দ: হুতাশন, অনল, পাবক, আগুন, দহন, সর্বভুক, শিখা, হুতাশন, বহ্নি, বৈশ্বানর, কৃশানু, বিভাবসু, সর্বশুচি, বায়ুশখা ইত্যাদি। অন্যদিকে, আবীর (বিশেষ্য): অর্থ – ১. সুগদ্ধি রঞ্জক দ্রব্য, অভ্রের গুঁড়ো মেশানো রঙ, ফাগ। ২. অস্তায়মান সূর্যের রক্তিম আভা। আবীর শব্দটি – আরবি ভাষা থেকে আগত।

13. ‘দেশের যত নদীর ধারা জল না, ওরা অশ্রুধারা’ – এই উক্তিটি নিচের কোন পারিভাষিক অলংকার দ্বারা শোভিত?

1: অপহৃতি
2: যমক
3: অর্থোন্নতি
4: অভিযোজন

Correct Answer: অপহৃতি

অপহৃতি: প্রকৃতকে অর্থাৎ উপমেয়কে নিষেধ করে করে বা গোপন করে অপ্রকৃতকে অর্থাৎ উপমানকে প্রতিষ্ঠা করলে, সেখানে ‘অপহৃতি’ অলঙ্কার হয়। এখানে সাধারণতঃ দু’ভাবে এ নিষেধ হয়ে থাকে- প্রথমত: না, নহে, নয় প্রভৃতি না সূচক অব্যয় ব্যবহার করে; দ্বিতীয়ত: ব্যাজ, ছল, ছলনা, ছদ্ম প্রভৃতি সত্য গোপনকারী শব্দ প্রয়োগ করে। উদাহরণে উপমেয়- ‘জল’; উপমান- ‘অশ্রু’ । কবি এখানে ‘না’ সূচক অব্যয় ‘না’ ব্যবহার করে উপমেয়কে অস্বীকার করে উপমানকে প্রতিষ্ঠিত করেছেন। সুতরাং এখানে ‘অপহূতি’ অলঙ্কার সৃষ্টি করা হয়েছে।

14. ‘যথারীতি’ কোন সমাসের দৃষ্টান্ত?

1: অব্যয়ীভাব
2: দ্বিগু
3: বহুব্রীহি
4: দ্বন্দ্ব

Correct Answer: অব্যয়ীভাব

পূর্বপদে অব্যয়যোগে নিষ্পন্ন সমাসে যদি অব্যয়েরই অর্থের প্রাধান্য থাকে তবে তাকে অব্যয়ীভাব সমাস বলে। অব্যয়ীভাব সমাসে কেবল অব্যয়ের অর্থযোগে ব্যাসবাক্যটি রচিত হয়। যেমন – রীতিকে অতিক্রম না করে = যথারীতি, সাধ্যকে অতিক্রম না করে = যথাসাধ্য। এরূপ – যথাবিধি, যথাযোগ্য ইত্যাদি।

15. ‘মৃত্তিকা দিয়ে তৈরি’ – কথাটি সংকোচন করলে হবে –

1: তন্ময়
2: মন্ময়
3: মৃন্ময়
4: চিন্ময়

Correct Answer: মৃন্ময়

মৃত্তিকা দিয়ে তৈরি – মৃন্ময়।

16. ‘অর্ধচন্দ্র’ কথাটির অর্থ –

1: অমাবস্যা
2: গলাধাক্কা দেওয়া
3: কাছে টানা
4: কাস্তে

Correct Answer: গলাধাক্কা দেওয়া

অর্ধচন্দ্র (বাগধারা) অর্থ – গলাধাক্কা দেওয়া।

17. ‘হরতাল’ কোন ভাষা থেকে আগত শব্দ?

1: পর্তুগিজ
2: হিন্দি
3: গুজরাটি
4: ফরাসি

Correct Answer: গুজরাটি

হরতাল শব্দটি গুজরাটি ভাষা থেকে আগত।

18. কোনটি ‘জিগীষা’র সম্প্রসারিত প্রকাশ?

1: জানিবার ইচ্ছা
2: জয় করিবার ইচ্ছা
3: হনন করিবার ইচ্ছা
4: যুদ্ধ করিবার ইচ্ছা

Correct Answer: জয় করিবার ইচ্ছা

জয় করিবার ইচ্ছা – জিগীষা।

19. নিচের কোনটি তৎসম শব্দ?

1: পছন্দ
2: হিসাব
3: ধূলি
4: শৌখিন

Correct Answer: ধূলি

যেসব শব্দ সংস্কৃত ভাষা থেকে অবিকৃত অবস্থায় সরাসরি বাংলা ভাষায় গৃহীত হয়েছে, সেসব শব্দকে তৎসম শব্দ বলে। এখানে 'ধূলি' একটি তৎসম শব্দ। পছন্দ (ফারসি), হিসাব (আরবি), শৌখিন (আরবি)।

20. নিচের কোনটি বাংলা ধাতুর দৃষ্টান্ত?

1: কহ্
2: কথ্‌
3: বুধ্‌
4: গঠ্‌

Correct Answer: কহ্

বাংলা ধাতু বা খাঁটি বাংলা ধাতু হলো যা সংস্কৃত থেকে প্রাকৃতের মাধ্যমে পরিবর্তিত হয়ে বাংলায় ব্যবহৃত হয়। 'কহ্' একটি বাংলা ধাতু। অন্যদিকে কথ্, বুধ্, গঠ্ হলো সংস্কৃত ধাতু।