🎓 Quick Menu
বাংলা সকল টপিক Model - 11

BCS, Primary, NTRCA, Admission Preparation Guide

প্রতিদিন নিয়মিত MCQ অনুশীলন করুন। প্রতিটি প্রশ্নের সঠিক উত্তর এবং ব্যাখ্যা বোঝার চেষ্টা করুন। দুর্বল অংশ চিহ্নিত করুন এবং পুনরাবৃত্তি করুন। সময় ব্যবস্থাপনা করুন এবং Mock Test দিন। BDMCQ Guide ব্যবহার করে অনুশীলন করলে সফল হওয়ার সম্ভাবনা অনেক বেড়ে যায়।

1. বাংলা ভাষার আদি নিদর্শন চর্যাপদ আবিস্কৃত হয় কত সালে?

1: ২০০৭
2: ১৯০৭
3: ১৯০৯
4: ১৯১৬

Correct Answer: ১৯০৭

চর্যাপদ বাংলা ভাষা ও সাহিত্যের আদি নিদর্শন। ১৯০৭ খ্রিস্টাব্দে মহামহোপাধ্যায় হরপ্রসাদ শাস্ত্রী নেপালের রাজদরবারের গ্রন্থাগার থেকে পুঁথি আবিষ্কার করেন।

2. ‘আনারস’ ও ‘চাবি’ শব্দ দুটি বাংলা ভাষা গ্রহণ করেছে—

1: পর্তুগিজ ভাষা হতে
2: আরবি ভাষা হতে
3: দেশি ভাষা হতে
4: ওলন্দাজ ভাষা হতে

Correct Answer: পর্তুগিজ ভাষা হতে

'আনারস' ও 'চাবি' শব্দ দুটি বাংলা ভাষায় **পর্তুগিজ ভাষা** থেকে এসেছে। এরকম আরও কিছু পর্তুগিজ শব্দ হলো আলমারি, বালতি, সাবান, পাউরুটি ইত্যাদি।

3. ‘কবর’ নাটকটির লেখক—

1: জসীমউদ্দীন
2: কাজী নজরুল ইসলাম
3: মুনীর চৌধুরী
4: দ্বিজেন্দ্রলাল রায়

Correct Answer: মুনীর চৌধুরী

ভাষা আন্দোলনের পটভূমিতে রচিত বিখ্যাত নাটক '**কবর**'-এর রচয়িতা **মুনীর চৌধুরী**। তিনি ১৯৫৩ সালে কারাগারে থাকাকালীন এই একাঙ্কিকাটি রচনা করেন।

4. ক্রিয়া পদের মূল অংশকে বলা হয়—

1: বিভক্তি
2: ধাতু
3: প্রত্যয়
4: কৃৎ

Correct Answer: ধাতু

ক্রিয়াপদের মূল অবিভাজ্য অংশকে **ধাতু** বলে। এটি ক্রিয়ার মূল ভাবটি প্রকাশ করে। যেমন: '**পড়্**' একটি ধাতু, যা থেকে 'পড়া', 'পড়ি', 'পড়ছে' ইত্যাদি ক্রিয়াপদ গঠিত হয়।

5. কোন দ্বিরুক্ত শব্দ জুটি বহুবচন সংকেত করে?

1: পাকা পাকা আম
2: ছি ছি, কি করছ
3: নরম নরম হাত
4: উড়ু উড়ু মন

Correct Answer: পাকা পাকা আম

দ্বিরুক্ত বিশেষণ পদ যখন বহুবচন বোঝাতে ব্যবহৃত হয়, তখন তা আধিক্য প্রকাশ করে। '**পাকা পাকা আম**' বলতে অনেকগুলো পাকা আম বোঝানো হয়েছে, যা বহুবচনের সংকেত দেয়।

6. ‘শেষের কবিতা’ রবীন্দ্রনাথ রচিত –

1: কবিতার নাম
2: গল্প সংকলনের নাম
3: উপন্যাসের নাম
4: কাব্য সংকলনের নাম

Correct Answer: উপন্যাসের নাম

**'শেষের কবিতা'** (১৯২৯) রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর রচিত একটি বিখ্যাত **উপন্যাস**। এটি তাঁর অন্যতম রোমান্টিক ও কাব্যধর্মী উপন্যাস, যার প্রধান চরিত্র অমিত ও লাবণ্য।

7. বাংলায় টি. এস. এলিয়টের কবিতার প্রথম অনুবাদক—

1: রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
2: বিষ্ণু দে
3: সুধীন্দ্রনাথ দত্ত
4: বুদ্ধদেব বসু

Correct Answer: রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর

টি. এস. এলিয়টের 'The Journey of the Magi' কবিতাটি **রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর** প্রথম বাংলায় '**তীর্থযাত্রী**' নামে অনুবাদ করেন, যা তাঁর 'পুনশ্চ' কাব্যগ্রন্থে সংকলিত হয়েছে।

8. ‘অগ্নিবীণা’ কাব্যগ্রন্থের সংকলিত প্রথম কবিতা

1: অগ্রপথিক
2: বিদ্রোহী
3: প্রলয়োল্লাস
4: ধূমকেতু

Correct Answer: প্রলয়োল্লাস

কাজী নজরুল ইসলামের প্রথম কাব্যগ্রন্থ '**অগ্নিবীণা**' (১৯২২)-এর প্রথম কবিতা হলো '**প্রলয়োল্লাস**'। 'বিদ্রোহী' এই কাব্যের দ্বিতীয় কবিতা।

9. ‘আমার ভাইয়ের রক্তে রাঙানো একুশে ফেব্রুয়ারি’র রচয়িতা-

1: শামসুর রাহমান
2: আলতাফ মাহমুদ
3: হাসান হাফিজুর রহমান
4: আবদুল গাফফার চৌধুরী

Correct Answer: আবদুল গাফফার চৌধুরী

ভাষা আন্দোলনের অমর সংগীত '**আমার ভাইয়ের রক্তে রাঙানো একুশে ফেব্রুয়ারি**'-এর রচয়িতা বা গীতিকার হলেন **আবদুল গাফফার চৌধুরী**। গানটির বর্তমান সুরকার আলতাফ মাহমুদ।

10. কোনটি তদ্ভব শব্দ?

1: চাঁদ
2: সূর্য
3: নক্ষত্র
4: গগন

Correct Answer: চাঁদ

যেসব শব্দ সংস্কৃত থেকে প্রাকৃতের মাধ্যমে পরিবর্তিত হয়ে বাংলায় এসেছে, তাদের তদ্ভব শব্দ বলে। এখানে '**চাঁদ**' একটি তদ্ভব শব্দ, যা সংস্কৃত '**চন্দ্র**' থেকে এসেছে (চন্দ্র > চন্দ > চাঁদ)।

11. বাংলায় কুরআন শরীফের প্রথম অনুবাদক কে?

1: কেশ-ব চন্দ্র সেন
2: ভাই গিরীশচন্দ্র সেন
3: মওলানা মনিরুজ্জামান ইসলামাবাদী
4: মওলানা আকরম খাঁ

Correct Answer: ভাই গিরীশচন্দ্র সেন

বাংলা ভাষায় পবিত্র কুরআন শরীফের প্রথম পূর্ণাঙ্গ অনুবাদ করেন **ভাই গিরীশচন্দ্র সেন** (১৮৮১-৮৬)। তাঁর এই কাজের জন্য তাঁকে 'ভাই' উপাধি দেওয়া হয়।

12. বৈরাগ্য সাধনে ___ সে আমার নয়। শূন্যস্থান পূরণ করুন।

1: আনন্দ
2: মুক্তি
3: বিশ্বাস
4: আশ্বাস

Correct Answer: মুক্তি

নৈবেদ্য রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর বৈরাগ্যসাধনে মুক্তি সে আমার নয়। অসংখ্যবন্ধন মাঝে মহানন্দময় লভিব মুক্তির স্বাদ। এই বসুধার মৃত্তিকার পাত্রখানি ভরি বারম্বার তোমার অমৃত ঢালি দিবে অবিরত নানাবর্ণগন্ধময়। প্রদীপের মতো সমস্ত সংসার মোর লক্ষ বর্তিকায় জ্বালায়ে তুলিবে আলো তোমারি শিখায় তোমার মন্দির মাঝে। ইন্দ্রিয়ের দ্বার রুদ্ধ করি যোগাসন সে নহে আমার। যে কিছু আনন্দ আছে দৃশ্যে গন্ধে গানে তোমার আনন্দ রবে তার মাঝখানে। মোহ মোর মুক্তিরূপে উঠিবে জ্বলিয়া প্রেম মোর ভক্তিরূপে রহিবে ফলিয়া।

13. সমাস ভাষাকে ___

1: সংক্ষিপ্ত করে
2: বিস্তৃত করে
3: ভাষারূপ ক্ষুন্ন করে
4: অর্থবােধক করে

Correct Answer: সংক্ষিপ্ত করে

বাংলা ভাষায় ব্যবহৃত অর্থসম্বন্ধযুক্ত একাধিক পদের একটি পদে পরিণত হওয়ার প্রক্রিয়াকে সমাস বলে। বাংলা ভাষায় যে সকল প্রক্রিয়ায় নতুন পদ বা শব্দ তৈরি হয় সমাস তার একটি। সমাসের রীতি সংস্কৃত থেকে বাংলায় এসেছে। যেমন: দোয়াত ও কলম দোয়াতকলম, পীত অম্বর যার = পীতাম্বর (শ্রীকৃষ্ণ)। সমাসের প্রক্রিয়ায় সমাসবদ্ধ বা সমাসনিষ্পন্ন পদটিকে বলে সমস্ত পদ। যেমন: এখানে দোয়াতকলম, পীতাম্বর হলো সমস্ত পদ। সমস্ত পদ কতগুলো পদের মিলিত রূপ, এই প্রতিটি পদকে বলে সমস্যমান পদ। সমস্ত পদকে বিস্তৃত করে যে বাক্যাংশ পাওয়া যায় তাকে বলে সমাসবাক্য ব্যাসবাক্য বা বিগ্রহবাক্য। সমাস শব্দের ব্যুৎপত্তি হলো সম-অস(ধাতু) অ সমাসের উদ্দেশ্য অল্পকথায় অধিক ভাব প্রকাশ করা একটা বিরাট শব্দগুচ্ছকে সমাসের মাধ্যমে সংক্ষেপণ করা যায়। তবে সাহিত্যিক প্রয়োজনেই সংস্কৃত ভাষায় সমাসের আবির্ভাব হয়েছিল বলে মনে করা হয়। কারণ সাহিতামূলক কর্মে সমাসের ব্যবহার একে আরও আকর্ষণীয় করে তোলে।

14. বেগম রােকেয়ার রচনা কোনটি?

1: ভাষা ও সাহিত্য
2: আয়না
3: লালসালু
4: অবরােধবাসিনী

Correct Answer: অবরােধবাসিনী

অবরোধ বাসিনী ভারতবর্ষের অগ্রণী নারীবাদী লেখিকা রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন রচিত একটি গ্রন্থ। বেগম রোকেয়ার অন্যতম শ্রেষ্ঠ সাহিত্যকীর্তি হিসেবে বিবেচিত গ্রন্থটি ১৯৩১ সালে প্রকাশিত হয়। এতে তৎকালীন ভারতবর্ষীয় নারীদের বিশেষ করে মুসলমান ঘরের নারীদের সমাজের অবরোধপ্রথার জন্য যে অসুবিধায় পড়তে হত তা বর্ণিত হয়েছে। “মতিচুর – “সুলতানার স্বপ্ন – Sultana’s dream’ তার রচনা।প্রথম প্রকাশিত ছোট গল্প পিপাসা

15. বাংলা গীতিকবিতায় ‘ভােরের পাখি’ কে?

1: বিহারীলাল চক্রবর্তী
2: প্যারীচাঁদ মিত্র
3: ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
4: শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়

Correct Answer: বিহারীলাল চক্রবর্তী

বিহারীলাল চক্রবর্তী (২১ মে, ১৮৩৫ (২৪ মে, ১৮৯৪) বাংলা ভাষার কবি। বাংলা সাহিত্যের প্রথম গীতি কবি হিসেবে তিনি সুপরিচিত। রবীন্দ্রনাথ তাকে বাঙলা গীতি কাব্য ধারার ভোরের পাখি’ বলে আখ্যায়িত করেন। তার সব কাব্যই বিশুদ্ধ গীতিকাব্য। মনোবীণার নিভৃত ঝংকারে তার কাব্যের সৃষ্টি। বাঙালি কবি মানসের বহির্মুখী দৃষ্টিকে অন্তর্মুখী করার ক্ষেত্রে তার অবদান অনস্বীকার্য। অতি অল্পকালের ভিতরে তিনি বাংলা কবিতার প্রচলিত ধারার পরিবর্তন ঘটিয়ে নিবিড় অনুভূতি প্রকাশের মাধ্যমে গীতিকবিতার ধারা চালু করেন। এ বিষয়ে তিনি সংস্কৃত ও ইংরেজি সাহিত্যের মাধ্যমে গভীরভাবে প্রভাবিত হন। বিহারীলাল তার কবিতায় ভাবের আধিক্যকে খুব বেশি গুরুত্ব দিয়েছেন। প্রকৃতি ও প্রেম, সংগীতের উপস্থিতি সহজ-সরল ভাষা বিহারীলালের কবিতাকে দিয়েছে আলাদাধারার বৈশিষ্ট্য।

16. ‘ক্ষমার যােগ্য’-এর বাক্য সংকোচন

1: ক্ষমার্হ
2: ক্ষমাপ্রার্থী
3: কেক্ষমা
4: ক্ষমাপ্রদ

Correct Answer: ক্ষমার্হ

বাক্য সংকোচন: যার অনুরাগ দূর হয়েছে – বীতরাগ। যার পূর্ব জন্মের কথা স্মরণ থাকে- জাতিস্মর। যে নারী নিজে বর বরণ করে নেয় – স্বয়ংবরা। যে ব্যক্তি দ্বার রক্ষার জন্য নিযুক্ত দারোয়ান। যে সন্তান পিতার মৃত্যুর পরে জন্মে মরণোত্তরজাতক। যে আলোতে কুমুদ ফোটে – কৌমুদী। ক্ষমার যোগ্য ক্ষমাই। বাঘের চামড়া-কৃত্তি।

17. ‘মােস্তফা চরিত’ গ্রন্থের রচয়িতা

1: মুহম্মদ আবদুল হাই
2: মােহাম্মদ বরকতুল্লাহ
3: ড. মুহম্মদ শহীদুল্লাহ্
4: মওলানা আকরম খাঁ

Correct Answer: মওলানা আকরম খাঁ

১৯৩৬ সালের অক্টোবর মাসে মওলানা আকরম দৈনিক আজাদ পত্রিকা প্রকাশ শুরু করেন। সেই সময় এটি একটি যুগান্তকারী পদক্ষেপ ছিল। মুসলিম লীগের সমর্থন যোগাতে এই বাংলা পত্রিকাটি সেই সময় বিশেষ গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছিল। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় লাইব্রেরিতে পত্রিকার বহু পুরনো সংখ্যা সংরক্ষিত আছে। সাহিত্য কর্ম সমস্যা ও সমাধান [এই গ্রন্থে লেখকের ইসলামে নারীর মর্যাদা, সুদ সমস্যা চিত্র (ছবি তোলা) সমস্যা, সঙ্গীত সমস্যা এই চারটি প্রবন্ধ সংকলিত হয়) আমপারার বাংলা অনুবাদ মোস্তফা চরিত (বর্তমানে খোশরোজ কিতাব মহল হতে প্রকাশিত) মোস্তফা-চরিতের বৈশিষ্ট্য বাইবেলের নির্দেশ ও প্রচলিত খ্রীষ্টান ধর্ম মোছলেম বঙ্গের সামাজিক ইতিহাস (ঐতিহ্য হতে প্রকাশিত) তাফসীরুল কোরআন(১-৫ খণ্ড) (খোশরোজ কিতাব মহল হতে প্রকাশিত) মুক্তি ও ইসলাম|

18. ‘আমার দেখা রাজনীতির পঞ্চাশ বছর’ গ্রন্থটির রচয়িতা

1: মুহম্মদ আবদুল হাই
2: ড. মুহম্মদ শহীদুল্লাহ্
3: আবুল মনসুর আহমদ
4: আতাউর রহমান

Correct Answer: আবুল মনসুর আহমদ

আবুল মনসুর আহমেদ একজন শক্তিমান লেখক ছিলেন। তিনি ব্যঙ্গাত্মক রচনায় বিশেষ খ্যাতি অর্জন করেছিলেন। আয়না ও ফুড কনফারেন্স গল্পগ্রন্থদ্বয়ে তিনি মুসলিম সমাজের গোঁড়ামি, ধর্মান্ধতা, ভণ্ডামিসহ নানা কুসংস্কারের ব্যঙ্গ করেছেন তীক্ষ্ণ দৃষ্টিভঙ্গির মাধ্যমে। গ্রন্থসমূহ ব্যঙ্গরচনা আয়না (১৯৩৬-১৯৩৭) ফুড কনফারেন্স (১৯৪৪) গালিভারের সফরনামা স্মৃতিকথা আত্মকথা (১৯৭৮, আত্মজীবনী) আমার দেখা রাজনীতির পঞ্চাশ বছর (১৯৬৯) শেরে বাংলা হইতে বঙ্গবন্ধু (১৯৭২) অন্যান্য রচনা সত্য মিথ্যা (১৯৫৩) জীবনক্ষুধা (১৯৫৫) আবে হায়াত (১৯৬৪) হুযুর কেবলা (১৯৩৫) বাংলাদেশের কালচার (১৯৬৬) বাংলা একাডেমি সম্প্রতি আবুল মনসুর আহমদ রচনাসমগ্র নিয়ে তিন খণ্ড প্রকাশনা করেছে। আরও তিন খণ্ড প্রকাশিতব্য রয়েছে ( জাতীয় অধ্যাপক রফিকুল ইসলামের সম্পাদনায় ও কবি ও গবেষক ইমরান মাহফুজের সহযোগিতায়।

19. পুঁথি সাহিত্যের প্রাচীনতম লেখক

1: ভারতচন্দ্র রায়
2: কাজী দৌলত
3: সৈয়দ হামজা
4: আবদুল হাকিম

Correct Answer: সৈয়দ হামজা

ফকির গরীবুল্লাহ (আনু. ১৬৮০-১৭৭০) এদেশের অষ্টাদশ শতাব্দীর একজন সাহিত্যিক। ফকির গরীবুল্লাহ হুগলি জেলার (তখনকার বর্ধমান এর অংশ) বালিয়া পরগনার হাফিজপুর গ্রামের অধিবাসী। গরীবুল্লাহ সম্পর্কে তেমন তথ্য পাওয়া যায় না। তাঁর পিতার নাম শাহ্ দুন্দীর (সাহা দুন্দি)। তথ্যের অভাবে গরীবুল্লাহ এর সময় নির্ধারন করা দুরূহ। সাহিত্যকর্ম তাঁর রচনা কোনগুলো তা নিয়েও মতবিরোধ আছে। তবে আমির হামজা প্রথম পর্ব তাঁর রচনা। ফকির গরীবুল্লাহ-এর ইউসুফ-জোলেখা নামে একটি কাব্যগ্রন্থ আছে। মুহম্মদ শহীদুল্লাহ মনে করেন কাব্যটি ১৭৬৫ সালের পর রচিত। ঐতিহাসিকরা বলেন আঠারো শতকের মধ্যভাগে ফকির গরীবুল্লাহ কয়েকটি পুঁথি রচনা করেন। সেগুলো হচ্ছে ইউসুফ জোলেখা, আমির হামজা, সোনাভান ও সতয়পীরের পুথি। মৃত্যু: তাঁর মৃত্যুর কোনো সঠিক সাল বা তারিখ পাওয়া যায় না। (Note: প্রশ্নে প্রদত্ত অপশন অনুযায়ী সৈয়দ হামজা সঠিক উত্তর, যদিও ব্যাখ্যায় ফকির গরীবুল্লাহর কথা বলা আছে যিনি পুঁথি সাহিত্যের অন্যতম প্রাচীন লেখক।)

20. ‘চাচা কাহিনীর’ লেখক

1: সৈয়দ শামসুল হক
2: সৈয়দ মুজতবা আলী
3: শওকত ওসমান
4: ফররুখ আহমদ

Correct Answer: সৈয়দ মুজতবা আলী

শান্তিনিকেতনে পড়ার সময় সেখানের বিশ্বভারতী নামের হস্তলিখিত ম্যাগাজিনে মুজতবা আলী লিখতেন। পরবর্তীতে তিনি সত্যপীর, ওমর খৈয়াম’, ‘টেকচাঁদ’, ‘প্রিয়দর্শী প্রভৃতি ছদ্মনামে বিভিন্ন পত্রিকায়, যেমন: দেশ আনন্দবাজার, বসুমতী, সত্যযুগ, মোহাম্মদী প্রভৃতিতে কলাম লিখেন। তাঁর বহু দেশ ভ্রমণের অভিজ্ঞতা থেকে লিখেছেন ভ্রমণলিপি। এছাড়াও লিখেছেন ছোটগল্প উপন্যাস, রম্যরচনা।তাঁর রচিত বইয়ের সংখ্যা ৩০। প্রকাশনা উপন্যাস অবিশ্বাস্য (১৯৫৪) শবনম (১৯৬০) শহর ইয়ার (১৯৬৯) ভ্রমণকাহিনী দেশে বিদেশে (১৯৪৯) (কাবুল শহরের কাহিনী নিয়ে। লেখা।। জলে ডাঙ্গায় (১৯৬০) ছোটগল্প চাচা কাহিনী (১৯৫২) চুনি মেম(১৯৬৪) পঞ্চতন্ত্র (১৯৫২) ময়ূরকণ্ঠী (১৯৫৭)